Breaking

Friday, May 8, 2020

1. সংবহন কাকে বলে?
উঃ যে বিশেষ পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্ট পথে ও তরল মাধ্যমে (যেমন : জল, রক্ত, লসিকা প্রভৃতি) খাদ্যের সারাংশ, অক্সিজেন, হরমােন ইত্যাদি জীবদেহের প্রতিটি সজীব কোশে পৌছায় এবং কোশ থেকে দূষিত পদার্থ অপসারিত হয়ে দেহের নির্দিষ্ট অঙ্গে প্রেরিত হয়, তাকে সংবহন বলে।
2. অভিস্রবণ ও ব্যাপন কাকে বলে?
উঃ অভিস্রবণের সংজ্ঞা : দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ অর্ধভেদ্য পর্দার দ্বারা পৃথক করা থাকলে
যে ভৌত প্রক্রিয়ায় কম ঘনত্বের দ্রাবক বেশি ঘনত্বের দ্রবণে প্রবেশ করে, তাকে অভিস্রবণ বলে।

ব্যাপনের সংজ্ঞা : যে ভৌত প্রক্রিয়ায় কোন পদার্থের অণুগলি তাদের নিজস্ব গতিশক্তির ফলে বেশি গাঢ়ত্বের স্থান থেকে কম গাঢ়ত্বের স্থানে ছড়িয়ে পড়ে, তাকে ব্যাপন বলে।
3. মুলজ চাপ কি ?
উঃ কোশান্তর অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় জল-শােষণের ফলে মূলের কর্টেক্সের ভিতরে রসস্ফীতিজনিত যে চাপ সৃষ্টি হয়, তাকে মূলজ চাপ বলে।
4.  বাষ্পমোচন কাকে বলে?
উঃ যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ তার মূলদ্বারা শােষিত জলের অপ্রয়ােজনীয় ও অতিরিক্ত অংশ লেন্টিসেল, কিউটিকল, পত্ররন্ধ্র ইত্যাদি বায়বীয় অংশের মাধ্যমে (সাধারণত সূর্যালােকের উপস্থিতিতে) দেহ থেকে বাষ্পের আকারে বের করে দেয়, প্রােটোপ্লাজম নিয়ন্ত্রিত ওই শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াকে বাষ্পমােচন বলে।
5. রক্ত কি?
উঃ রক্তরস ও রক্তকণিকা নিয়ে গঠিত বিশেষ ধরনের যে তরল, অস্বচ্ছ, অল্প ক্ষারধর্মী ও লবণাক্ত যােগকলা প্রাণীদেহে পুষ্টি সামগ্রী, শ্বাসবায়ু সংবহন, দূষিত পদার্থের অপসারণ, দেহতাপ বজায় রাখা, রােগ প্রতিরােধের ক্ষমতা গড়ে তােলা—ইত্যাদি নানান কাজে উল্লেখযােগ্য ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে, তাকে রক্ত বলে।
6.রক্তকে তরল যােগ কলা বলা হয় কেন?
উঃ রক্ত একরকমের তরল যােগ কলা। রক্তে কোষীয় উপাদানের তুলনায় ধাত্রের পরিমাণ বেশী এবং রক্ত দেহের বিভিন্ন কলার মধ্যে সংযােগসাধন করে, তাই রক্তকে যােগ কলা বা বিশেষ কলা বলে।
7.প্লাজমা বা রক্ত রস কি?
উঃ রক্তরস বা প্লাজমা (Plasma) : রক্তের ঈষৎ হরিদ্রাভ, ক্ষারধর্মী ও তঞ্চনে সক্ষম তরল অংশকে
(রক্ত প্রায় 55% জলীয় উপাদান বা রক্তরস অর্থাৎ প্লাজমা) প্লাজমা বা রক্তরস বলে। রক্তরস
91-92% জল এবং 8-9% কঠিন পদার্থ নিয়ে গঠিত। রক্তের কঠিন পদার্থ অজৈব এবং জৈব
উপাদান নিয়ে গঠিত। রক্তে অজৈব পদার্থ থাকে 0.9% এবং জৈব পদার্থ থাকে 8-99%।
০ অজৈব পদার্থ: রক্তের অজৈব উপাদানগুলি হল : সােডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম,
ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন বা লােহা, তামা, আয়ােডিন ইত্যাদি।
০ জৈব পদার্থ : রক্তের জৈব উপাদানগুলি হল :
1. শর্করা : গ্লুকোজ।
2. প্রােটিন : অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, প্রােগ্রমবিন, ফাইব্রিনােজেন।
3. ফ্যাট : প্রশমিত ফ্যাট, কোলেস্টেরল, লেসিথিন।
4. প্রােটিনবিহীন নাইট্রোজেন ঘটিত পদার্থ : ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, অ্যামােনিয়া, ক্রিয়েটিনিন, ক্রিয়েটিন, জ্যানথিন ইত্যাদি।
5. রঞ্জক পদার্থ: বিলিরুবিন, বিলিভারডিন ইত্যাদি।
6. ক্ষরিত পদার্থ: হরমোন উৎসেচক
7. গ্যাসীয় পদার্থ: অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন।
8. লসিকা কি?
উঃ যে স্বচ্ছ ও হালকা হলুদ রঙের, ক্ষারীয় তরল যােগকলা লসিকাগ্রন্থি ও লসিকাবাহের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়, তাকে লসিকা বলে।
লসিকা হল এক ধরনের পরিবর্তিত কলারস (tissue fluid)।
9. অনাক্রমতা বা ইমিউনিটি কি?
উঃ ব্যাটিরিয়া, ভাইরাস এবং তাদের অধিবিষ ও যে কোনও বিজাতীয় প্রােটিনের বিরুদ্ধে দেহের
প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পদ্ধতিকে অনাক্রম্যতা বা ইমিউনিটি বলে।
10. রক্ত তঞ্চন কি?
উঃ যে প্রক্রিয়ায় রক্ত জমাট বেঁধে অর্ধ কঠিন জেলির মত পদার্থে পরিণত হয়, তাকে রক্ত তঞ্চন বা হিমােস্টেসিস (haemostasis) বলে।
11. হিমােগ্লোবিন কি বা হিমোগ্লোবিন কাকে বলে ?
উঃ লৌহ ও গ্লোবিনের সমন্বয়ে গঠিত যে শ্বাস রঞ্জক রক্তে 02 এবং CO2 পরিবহন করে এবং যার উপস্থিতিতে রক্ত লাল বর্ণ ধারণ করে তাকে হিমােগ্লোবিন বলে।
12. হিমােসায়ানিন কি বা হিমোসায়ানিন কাকে বলে ?
উঃ চিংড়ি, কাকড়া, শামুক প্রভৃতি প্রাণীর রক্তরসে অবস্থিত শ্বাসবায়ু পরিবহনকারী তাম্রঘটিত শ্বাস-রঞ্জককে হিমােসায়ানিন বলে।
13.এরিথ্রোসাইট বা লোহিত রক্তকণিকা কাকে বলে?
উঃ রক্তের যে কণিকাগুলি হিমােগ্লোবিনযুক্ত এবং O2 এবং CO2 পরিবহন করে তাদের এরিথ্রোসাইট বা লােহিত রক্তকণিকা বলে।
14. লিউকোসাইট বা শ্বেত রক্তকণিকা কাকে বলে?
উঃ রক্তের যে কণিকাগুলি রঞ্জকবিহীন, অনিয়তকার, নিউক্লিয়াসযুক্ত এবং জীবাণু ধ্বংস করতে ও অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করতে সক্ষম তাদের লিউকোসাইট বা শ্বেত রক্তকণিকা বলে।
15. থ্রম্বােসাইট বা অনুচক্রিকা কাকে বলে?
উঃ রক্তের যে কণিকাগুলি থ্রম্বােকাইনেজ নিঃসরণ করে রক্ততঞ্চনে সাহায্য করে তাদের থ্রম্বােসাইট বা অণুচক্রিকা বলে।
16. শিরা ধমনীর ভিতরে রক্ত জমাট বাঁধে না কেন?
উঃ রক্তে হেপারিন থাকায় এবং রক্ত সব সময় বেগে প্রবাহিত হওয়ায় শিরা-ধমনীর মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধে না।
17. হেপারিন কি?
উঃ হেপারিন হল এক ধরনের তঞ্চক রােধক রাসায়নিক পদার্থ, যা প্রধানত বেসােফিল শ্বেতকণিকা থেকে নিঃসৃত হয়।
18. সিরাম কাকে বলে?
উঃ রক্ত তঞ্চনের পর তঞ্চিত রক্ত থেকে হালকা হলুদ রঙের ফাইব্রিনোজেনবিহীন যে জলীয় তরল নিশ্চিত হয় তাকে সিরাম বলে।
19. ভেনাস হৃৎপিণ্ড কাকে বলে?
উঃ দুই প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট যে হৃদপিণ্ড সর্বদা দূষিত রক্ত প্রবাহিত হয় তাকে ভেনাস হৃৎপিণ্ড বলে। যেমন- মাছের হৃদপিণ্ড।
Important MCQ for competitive exam
1.উদ্ভিদদেহে মূল দ্বারা শােষিত জল কোন পথের মাধ্যমে পাতায় পরিবাহিত হয়?
উঃ জাইলেম।
2.মূলজ চাপ তত্ত্বের প্রবক্তা কোন বিজ্ঞানী?
উঃ স্টিফেন হেলস।
3.প্রােটোপ্লাজমের প্রবাহ তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
উঃ ভ্রিস।
4. মানুষের প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা কত?
উঃ 6-8 হাজার।
5.লােহিত রক্তকণিকার আয়ুস্কাল কত দিন?
উঃ 120 দিন ।
6.শ্বেত রক্তকণিকার প্রধান কাজ কি?
উঃ ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করা।
7.যে শ্রেণীর রক্তকে সার্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় ?
উঃ AB
8.একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির হৃৎস্পন্দনের হার কত?
উঃ মিনিটে 72 বার ।
9.একবার হৃদস্পন্দনের জন্য প্রয়ােজনীয় সময় কত?
উঃ 0.8 সে.
10.রক্ত সংবহনতন্ত্রের কেন্দ্রীয় অঙ্গটির নাম কি?
উঃ হৃদপিন্ড ।
11. শ্বেত রক্তকণিকার গড় আয়ু কত দিন?
উঃ 1- 15 দিন।
12. অনুচক্রিকার গড় আয়ু কত দিন?
উঃ 3 দিন।
13. বসন্ত রোগের ভ্যাকসিন কে আবিষ্কার করেন?
উঃ 1796 খ্রিস্টাব্দে এডওয়ার্ড জেনার।
                               Class-9
      [ রক্ত ও সংবহন তন্ত্রের অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন]
1.থ্রম্বােসাইট কী এবং এর কাজ কী?
উঃ রক্ত তঞ্চনে সহায়ককারি নিউক্লিয়াসবিহীন ক্ষুদ্র রক্তকণিকাকে অণুচক্রিকা বা থ্রম্বােসাইট বলে।
কাজ: প্রধান কাজ হল রক্ত তঞ্চনে সাহায্য করা।
2. '0' শ্রেণির রক্তধারণকারী ব্যক্তির দেহে কোন শ্রেণির রক্ত নিরাপদে সঞ্চারিত করা যায় ? 
উঃ 'O' যে ব্যক্তিকে রক্ত-দান করতে পারবে A, B, AB, O
 যে ব্যক্তির থেকে 'O' নিতে পারবে 'O'
3.(a) ধমনী, (b) রক্ত গহ্বর, এবং (c) জালক; এই তিনটির কোনটি মুক্ত সংবহনতন্ত্রে দেখা যায় না? 
উঃ জালক বা রক্তজালক।
4.কোন প্রাণীটির রক্তে লােহিত কণিকা থাকে না?
উঃ কেঁচো।
5. একটি মেরুদণ্ডী প্রাণীর দেহে ধমনী ও শিরার মধ্যবর্তী সংযােজক বাহকে কী বলে ? 
উঃ জালক বা ক্যাপিলারি বলে।
6.মানব হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয় থেকে কী ধরনের রক্ত ধমনী পথে সংবাহিত হয়? 
উঃ বিশুদ্ধ রক্ত।
7.যে রক্তবাহের মাধ্যমে রক্ত হৃৎপিণ্ডের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে কি বলে?
উঃ শিরা বলে।
8.হিমােগ্লোবিনে উপস্থিত ধাতব মৌলটির নাম কী?
উঃ লৌহ।
9.হিমােসায়ানিন কোন প্রাণীর রক্তে পাওয়া যায় ?
উঃ চিংড়ি।
10.মানব হৃদপিণ্ডের কোন প্রকোষ্ঠে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত গৃহীত হয়?
উঃ বাম অলিন্দ।
11.হিমােগ্লোবিনের কাজ কী?
উঃ রক্তের রং লাল করা। লৌহ ঘটিত প্রোটিন জাতীয় রঞ্জক পদার্থ থাকায় রক্তের রং লাল হয়।
12. ডান নিলয়ের কাজ কি?
উঃ অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত প্রেরণ করা।
13.পাতায় প্রস্তুত খাদ্য কোন্ কলার মাধ্যমে উদ্ভিদদেহে সঞ্চারিত হয়? 
উঃ ফ্লোয়েম কলা।
14. হৃদপিণ্ড, ধমনী এবং শিরা ছাড়া মানুষের রক্ত সংবহন তন্ত্রের অপর উপাদানটি নাম কী? 
উঃ রক্তজালক।
15.কোন ধাতব মৌলটি হিমােগ্লোবিন অণু গঠনে প্রয়ােজন?
উঃ লোহা বা আয়রন।
16. কোন জৈবিক প্রক্রিয়ার ফলে প্রয়ােজনের অতিরিক্ত জল উদ্ভিদদেহ হইতে বাহির হইয়া যায়?  
উঃ বাষ্পমোচন প্রক্রিয়ায়।
17.মানবদেহের ফুসফুসীয় শিরার মাধ্যমে কোন্ প্রকার রক্ত প্রবাহিত হয় ?
উঃ বিশুদ্ধ রক্ত।
18. মানব হৃদপিণ্ডে বাম অলিন্দের কাজ কি?
উঃ অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত গ্রহণ করা।
19.উদ্ভিদদেহে কোন কলার মাধ্যমে মূল হইতে জল পাতায় পৌছায়?
উঃ জাইলেম কলা।
20. উদ্ভিদদেহের সংবহন কলার নাম লিখ। 
উঃ জাইলেম এবং ফ্লোয়েম।
21.শ্বেতকণিকার দুটি কাজ উল্লেখ কর।
উঃ 1. অ্যান্টিবডি উৎপাদন 2. এলার্জি প্রতিরোধ করা।
22.মানব হৃৎপিণ্ডের কোন প্রকোষ্ঠ থেকে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে প্রেরিত হয়? 
উঃ ডান নিলয়।
23. কোন প্রাণীর রক্তরসে হিমােগ্লোবিন পাওয়া যায় ? 
উঃ কেঁচো।
24.হৃদপিন্ডের বাইরের আবরণকে কি বলে?
উঃ পেরিকার্ডিয়াম।
25.ডান অলিন্দ ও ডান নিলয় সংযোগস্থলকে কী বলে?
উঃ ট্রাইকাসপিড বা ত্রিপত্রক কপাটিকা।
26.বাম অলিন্দ ও নিলয়ের সংযোগস্থলকে কী বলে?
উঃ বাইকাসপিড বা ত্রিপত্রক বা মাইট্রাল কপাটিকা।
27. কোন শ্রেণীর প্রাণীর রক্ত বর্ণহীন?
উঃ পতঙ্গ শ্রেণীর প্রাণীদের রক্তে কোন রঞ্জক পদার্থ না থাকায় এদের রক্ত বর্ণহীন। যেমন- আরশোলা, ফড়িং, প্রজাপতি।
28. কোন শ্রেণীর প্রাণীর রক্ত নীলাভ?
উঃ কবচী শ্রেণীর প্রাণীদের রক্তরসে হিমোসায়ানিন নামে তামাগঠিত রঞ্জক পদার্থ থাকায় এদের রক্তের রঙ নীলাভ। যেমন- চিংড়ি, কাঁকড়া
29. হিমোগ্লোবিন কোথায় থাকে?
উঃ অমেরুদন্ডী প্রাণীর ক্ষেত্রে রক্তরসে এবং মেরুদন্ডী প্রাণীর ক্ষেত্রে লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন থাকে।
30. শ্বাসরঞ্জক কি? দুটি শ্বাস রঞ্জক এর নাম লেখ।
উঃ রক্তস্থিত যেসব রঞ্জক পদার্থ শ্বাসবায়ু যেমন অক্সিজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন করে, তাদের শ্বাসরঞ্জক বলে।
দুটি শ্বাস রঞ্জক হল হিমোগ্লোবিন ও হিমোসায়ানিন

রক্ত ও সংবহনতন্ত্র মক টেস্ট

  1. লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু কত দিন?

  2. 20 দিন
    120 দিন
    15 দিন
    3 দিন

  3. কোন শ্রেণীর রক্তকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয়?

  4. A
    B
    O
    AB

  5. রক্তের pH এর মাত্রা কত?

  6. 7.9
    5.5
    7.4
    8

  7. মানুষের প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা কত?

  8. 6 থেকে 8 হাজার
    6 থেকে 9 হাজার
    6 থেকে 10 হাজার
    6 থেকে 11 হাজার

  9. এদের মধ্যে কোনটি শ্বাসরঞ্জক পদার্থ?

  10. হিমোগ্লোবিন
    লোহিত রক্তকণিকা
    শ্বেত রক্তকণিকা
    অনুচক্রিকা

  11. একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের দেহে কত লিটার রক্ত থাকে?

  12. 2 লিটার
    10 লিটার
    3 লিটার
    5 লিটার

  13. এদের মধ্যে কোন প্রাণীর রক্ত বর্ণহীন?

  14. চিংড়ি
    কাঁকড়া
    ফড়িং
    কুনোব্যাঙ

  15. রক্তের মধ্যে প্রোটিনবিহীন নাইট্রোজেন ঘঠিত জৈব পদার্থের নাম কি?

  16. অ্যালবুমিন
    ইউরিয়া
    ফাইব্রিনোজেন
    বিলিরুবিন

  17. পাতায় প্রস্তুত খাদ্য কোন কলার মাধ্যমে উদ্ভিদের সঞ্চারিত হয়?

  18. ফ্লোয়েম
    জাইলেম
    উভয়
    কোনোটিই নয়

  19. কোন প্রাণীর রক্তরসে হিমোগ্লোবিন পাওয়া যায়?

  20. চিংড়ি
    আরশোলা
    কেঁচো
    কুনোব্যাঙ

1 comment:

কোন প্রশ্নের উত্তর ভুল থাকলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবে ( কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স সময়ের সাথে সাথে উত্তর পরিবর্তন হয়)