নীলনদ অববাহিকা গুরুত্বপূর্ণ ছোট প্রশ্ন উত্তর

নীলনদ অববাহিকা ছোট প্রশ্ন ও উত্তর

নীলনদ অববাহিকার ছোট প্রশ্ন ও উত্তর

1. পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীর নাম কী ?
উত্তরঃ পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীর নাম নীলনদ।
2. সুদানের বুনীলের ওপরে কোন বাঁধ দেওয়া হয়েছে ?
উত্তরঃ সুদানের বুনীলের ওপরে সেনার বাঁধ দেওয়া হয়েছে।
3. মিশরের রাজধানীর নাম কী ?
উত্তরঃ মিশরের রাজধানীর নাম কায়রাে।
4. মিশরের প্রাক্তন রাজধানীর নাম কী ?
উত্তরঃ মিশরের প্রাক্তন রাজধানীর নাম আলেকজান্দ্রিয়া।
5. মিশরের প্রধান বন্দরের নাম কী ?
উত্তরঃ মিশরের প্রধান বন্দরের নাম আলেকজান্দ্রিয়া।
6. নীলনদের প্রধান উপনদীগুলাের নাম লেখাে।
উত্তরঃ বাহর-এল-গজল, আটবারা হল নীলনদের প্রধান উপনদী।
7. মিশর দেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কী ?
উত্তরঃ মিশর দেশের প্রধান অর্থকরী ফসল তুলাে।
8. নীলনদের প্রধান বন্দরের নাম লেখাে।
উত্তরঃ নীলনদের প্রধান বন্দর কায়রাে।
9. কোন দেশকে নীলনদের দান বলা হয় ?
উত্তরঃ মিশরকে নীলনদের দান বলা হয়।
10. নীলনদ কোথায় মিশেছে ?
উত্তরঃ নীলনদ ভূমধ্যসাগরে মিশেছে।
11. সমগ্র আফ্রিকার কত অংশ নীল অববাহিকা ?
উত্তরঃ সমগ্র আফ্রিকার ১১ অংশ নীল অববাহিকা।
12. নীলনদ মােট কটি দেশের মধ্যে প্রবাহিত ?
উত্তরঃ নীলনদ মােট ৮টি দেশের মধ্যে প্রবাহিত।
13. নীল অববাহিকার আকৃতি কীরূপ ?
উত্তরঃ নীল অববাহিকার আকৃতি মাছের আঁশের মতাে।
14. সাড কাকে বলে ?
উত্তরঃ নানারকম ঘাস, লতা, কচুরিপানায় ভর্তি জলাভূমিকে সাড বলে।
15. সাভানা তৃণভূমিতে কীসের চাষ বেশি হয় ?
উত্তরঃ সাভানা তৃণভূমিতে তুলাে ও কলার চাষ বেশি হয়।
16. স্কার্ব কাকে বলে ?
উত্তরঃ ছােটো ছােটো কাঁটা ঝােপকে স্কার্ব বলে।
17. নীলনদের ব-দ্বীপ অঞ্চলের দৈর্ঘ্য কত ?
উত্তরঃ নীলনদের ব-দ্বীপ অঞলের দৈর্ঘ্য ২০০ কিমি।
18. নীলনদ অববাহিকার কোন অঞ্চলকে জেরিরা সমভূমি বলে ?
উত্তরঃ মালাকল থেকে খার্তুম সাভানা তৃণভূমি অঞ্চল একেই জেরিরা সমভূমি বলে।
19. মিশর নীলনদের দান কথাটি কোন ঐতিহাসিক বলেছেন?
উত্তরঃ মিশর নীলনদের দান —কথাটি হেরােডেটাস বলেছেন।
20. পৃথিবীতে বৃহত্তম বাঁধের নাম কী ?
উত্তরঃ মিশরের আসােয়ান বাঁধ পৃথিবীর বৃহত্তম বাঁধ।
21. নীলনদ ব দ্বীপ অঞ্চলে কোন জলবায়ু দেখা যায় ?
উত্তরঃ নীলনদ ব দ্বীপ অঞ্চলে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু দেখা যায়।
22. উৎপত্তিস্থল থেকে নীলনদ কী নামে পরিচিত ?
উত্তরঃ উৎপত্তিস্থল থেকে নীলনদ কাগেরা নামে পরিচিত।
23. খামসিন কাকে বলে ?
উত্তরঃ আফ্রিকার নীলনদ অববাহিকায় গ্রীষ্মকালের প্রারম্ভে ও বসন্তকালে এক প্রকার উষ্ণ বায়ু প্রবাহিত হতে দেখা যায় একে খামসিন বলে।
24. নীলনদ অববাহিকার বেশিরভাগ অঞ্চল যে দুটি দেশের মধ্যে বিস্তৃত রয়েছে তাদের নাম লেখাে।
উত্তরঃ নীলনদ অববাহিকার অধিকাংশ অঞ্চল যে দুটি দেশের মধ্যে বিস্তৃত তাদের নাম হল মিশর ও সুদান।
25. কোন দুটি নদীর মিলিত প্রবাহ নীল ?
উত্তরঃ হােয়াইট নীল ও বুনীলের মিলিত প্রবাহ নীল।
26. মিশরের উল্লেখযােগ্য দর্শনীয় কী ?
উত্তরঃ মিশরের উল্লেখযােগ্য দর্শনীয় হল পিরামিড।
27. নীলনদ আফ্রিকা মহাদেশের কোনদিকে অবস্থিত ?
উত্তরঃ আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব ভাগে নীলনদের অববাহিকা প্রবাহিত।
28. পৃথিবীতে দৈর্ঘ্যে নীলনদের অবস্থা কী ?
উত্তরঃ দৈর্ঘ্যে নীলনদ পৃথিবীতে দীর্ঘতম। এর দৈর্ঘ্য 6,679 কিলােমিটার।
29. নীলনদের উৎপত্তিস্থল কোথায় ?
উত্তরঃ নীলনদের উৎপত্তিস্থল ভিক্টোরিয়া হ্রদ।
30. নীলনদের মােহনা কী ?
উত্তরঃ নীলনদের মােহনা ভূমধ্যসাগর।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

1. নীলনদ অববাহিকার অবস্থান ও আয়তন লেখাে।
উত্তরঃ নীলনদ ও তার উপনদী-শাখানদী আফ্রিকা মহাদেশের যে সব অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এদের মিলিত অঞ্চলগুলােকেই নীলনদ অববাহিকা বলে। আফ্রিকার টাঙ্গানায়িকা, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, উগান্ডা, সুদান ও মিশরের অংশ বিশেষ এই নীলনদ অববাহিকায় অবস্থিত। আয়তন প্রায় 3,50,000 কিলােমিটার। মিশর ও সুদানের সবচেয়ে বেশি অঞ্চল নীলনদ অববাহিকায় অবস্থিত।

2. নীলনদ অববাহিকার বিবরণ দাও।
উত্তরঃ আফ্রিকার সর্বাপেক্ষা দীর্ঘ নদ নীলনদ (6,650 কিমি)। নিরক্ষরেখার দক্ষিণে ট্যাঙ্গানিকা হ্রদের নিকট মালভূমিতে উৎপন্ন হয়ে ভিক্টোরিয়া, কিওগা ও এলবার্ট হ্রদের মধ্য দিয়ে উত্তরদিকে প্রবাহিত হয়ে সুদান ও মিশরের উপর দিয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে। নীলনদ মিশর ও সুদানের জীবন দান করেছে। নীলনদের উপত্যকা প্রধানত উগান্ডা, ইথিওপিয়া, সুদান এবং মিশর প্রজাতন্ত্রের মধ্যে অবস্থিত।

3. নিরক্ষীয় অঞ্চলের জলবায়ুর সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।
উত্তরঃ নীলনদের অববাহিকা অঞ্চলটি নিরক্ষীয় ও ক্রান্তীয় অঞ্চলের মধ্যবর্তী বলে এখানে জলবায়ুর তারতম্য দেখা যায়। নীলনদ অববাহিকার উৎস অঞ্চলে জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র, প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। শীত-গ্রীষ্মের উষ্ণতার পার্থক্য অনেক কম। মধ্যভাগে ক্রান্তীয় জলবায়ু দেখা যায়। উষ্মতা তীক্ষ এবং বৃষ্টিপাত কম। পশ্চিমদিকে উষ্ণ মরু প্রকৃতির জলবায়ু। উত্তরে ব-দ্বীপ অঞ্চলে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু দেখা যায়। শীত-গ্রীষ্ম উভয়ই মৃদু সমভাবাপন্ন।

4. নীলনদ অববাহিকার জলসেচ ব্যবস্থা সম্পর্কে লেখাে।
উত্তরঃ নীলনদ অববাহিকার উত্তর ও দক্ষিণে বৃষ্টিপাতের তারতম্যের জন্য জলসেচ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাচীনকাল থেকে জলসেচ ব্যবস্থা চালু ছিল। বর্তমানে বৃষ্টির জল ধরে রাখার জন্য সুদান ও বুনীলের ওপর সেনার বাঁধ, আটবারা নদীর উপর আটবারা বাঁধ, নীলনদের উপর ইশনা বাঁধ, নাগ হামদি বাঁধ দেওয়া হয়েছে। মিশরের আসােয়ান বাঁধ উল্লেখযােগ্য। বাঁধের সাহায্যে জলসেচের সঙ্গে সঙ্গে বন্যা নিয়ন্ত্রণও করা হয়।

5. নীলনদ অববাহিকার স্বাভাবিক উদ্ভিদ সম্পর্কে যা জানাে লেখাে।
উত্তরঃ জলবায়ুর বিভেদে স্বাভাবিক উদ্ভিদেরও তারতম্য দেখা যায়। দক্ষিণ নিরক্ষীয় অঞ্চলে ক্রান্তীয় বৃষ্টি অরণ্য আবার সুদানের দক্ষিণ ভাগে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হওয়ায় সাভানা তৃণভূমি দেখা যায়। এখানে বড়াে বড়াে ঘাস জন্মায়। সুদানের পশ্চিম ভাগে কাঁটাজাতীয় ঝােপ, লতা, গুল্ম গাছ জন্মায়।
6. নীলনদ অববাহিকায় উল্লেখযােগ্য শহরের নাম লেখাে।
উত্তরঃ সমগ্র আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম নগর ও বাণিজ্যকেন্দ্র হল কায়রাে, যা নদীনদ অববাহিকার ব-দ্বীপ অঞ্চলে অবস্থিত। কায়রাে মিশরের রাজধানী আলেকজান্দ্রিয়া, খার্তুম শহরের নাম উল্লেখ করা যায়। আলেকজান্দ্রিয়া মিশরের প্রাচীন রাজধানী। খার্তুম সুদানের রাজধানী।
7. নীলনদ অববাহিকায় কী কী শিল্প গড়ে উঠেছে ?
উত্তরঃ নীলনদ অববাহিকার পলল উর্বর মৃত্তিকার জন্য কৃষিজ শিল্পের বিকাশ সর্বাধিক। মিশরের সুদানে বস্ত্রবয়ন, চিনি কারখানা, বনস্পতি, সিগারেট, পশম বস্ত্রশিল্প প্রভৃতি গড়ে উঠেছে। কায়রাে, আলেকজান্দ্রিয়া, আসােয়ান, হেলওয়ান প্রভৃতি উল্লেখযােগ্য শিল্পকেন্দ্র। সিমেন্ট কারখানা, লৌহ-আকরিক শিল্পও এখানে লক্ষ্য করা যায়। তবে প্রযুক্তিবিদ্যার অভাবে ভারী ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের বিকাশ এখানে তেমন ঘটেনি।

8. নীলনদ কোন মহাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত ? নীলনদের গতিপথ বর্ণনা করাে।
উত্তরঃ নীলনদ আফ্রিকা মহাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত।
নীলনদের গতিপথ : নীলনদ নিরক্ষরেখার দক্ষিণে অবস্থিত পূর্ব আফ্রিকার মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে ভিক্টোরিয়া, কিওগা ও এলবার্ট হ্রদের মধ্য দিয়ে উত্তরদিকে প্রবাহিত হয়ে সুদান ও মিশরের উপর দিয়ে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে। প্রায় 6,636 কিমি দীর্ঘ এই গতিপথে বামদিক হতে বাহর-এল-গজল এবং ডানদিক হতে প্রথমে বুনীল ও পরে আটবারা নামে তিনটি উপনদী এসে নীলনদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। বাহর-এল-গজল নদীর সঙ্গমস্থল হতে ব্লু-নীল নদীর সঙ্গমস্থল পর্যন্ত নীলনদ হােয়াইট নীল বা শ্বেতনীল নামে পরিচিত। দীর্ঘ গতিপথে ছােটো বড়াে ছয়টি জলপ্রপাতের সৃষ্টি করে ভূমধ্যসাগরে পতিত হবার সময় নীলনদ এক বিশাল ব-দ্বীপের সৃষ্টি করেছে। প্রধানত উগান্ডা, ইথিওপিয়া, সুদান ও মিশর প্রজাতন্ত্রের মধ্যে নীলনদের অববাহিকা বিস্তৃত। সমগ্র অববাহিকা অঞ্চলের আয়তন প্রায় 18 লক্ষ বর্গ কিলােমিটার।
9. নীলনদে বন্যার কারণ কী ?
উত্তরঃ নীলনদে বন্যার কারণ হল নীলনদের সৃষ্টি হয়েছে বুনীল এবং হােয়াইট নীলের মিলিত প্রবাহে। হােয়াইট নীল বুরুন্ডির উচ্চভূমি থেকে এবং ব্লু নীল ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি টানা হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। নীলনদের এই সব উৎপত্তিস্থান নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে সারা বছর ধরে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়, যা গ্রীষ্মকালে আরাে বেড়ে যায়। এই অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের জন্য নীলনদে বন্যা দেখা যায়।

10. নীলনদ অববাহিকার কৃষিকার্যে অতীতে প্লাবন ও বর্তমানে খাল দ্বারা জলসেচের গুরুত্ব আলােচনা করাে।
উত্তরঃ মিশরের কৃষকগণ সম্পূর্ণরূপে জলসেচের উপর নির্ভর করে কৃষিকার্য করে থাকে। মিশরের কৃষকগণ অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে নীলনদের বন্যার জলকে কৃষিকার্যে ব্যাবহার করছে। বন্যার জলকে খালের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করিয়ে বাঁধ দিয়ে ঘেরাও করা বৃহৎ কৃষিক্ষেত্রের মধ্যে সঞ্চয় করে রাখা হয়। বন্যার সময় এর একদিকের বাঁধের কিছু অংশ কেটে দিয়ে ওই বিশাল ক্ষেত্রে খালের জল ঢােকাবার সুযােগ করে দেওয়া হয়। বন্যার জল ওইসব কৃষিক্ষেত্রগুলােতে এক থেকে দুমাস সঞ্চিত রাখা হয়। এর ফলে জলে ডুবে থাকা কৃষিক্ষেত্র প্রচুর পরিমাণে জল শােষণ করে নিতে পারে এবং কৃষিকার্যের সময় ওই কৃষিক্ষেত্রগুলােতে আর জলসেচ করতে হয় না। এই প্রথায় জলসেচে আরও একটি সুবিধা হয়, বন্যার জলের সঙ্গে যে পলিমাটি থাকে তা কৃষিক্ষেত্রগুলােতে থিতিয়ে পড়ে তার উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
তারপর কৃষকগণ ইচ্ছামতাে বাঁধের একাংশ কেটে জল খালের মাধ্যমে প্রবাহিত করে পার্শ্ববর্তী বাঁধ ঘেরাও করা অন্য কৃষিক্ষেত্রে নিয়ে যায়। এই প্রসঙ্গে উল্লেখযােগ্য যে, এই জলসেচ প্রথায় বছরে মাত্র একটি সফল চাষ করা সম্ভব হয়।
এই পদ্ধতি ছাড়া প্রাচীনকাল থেকেই মিশরে ডােঙ্গা, পারসিয়ান হুইল ও আর্কিমিডিয়ান স্কুর সাহায্যে সেচ প্রথা চালু আছে।
বর্তমানকালে আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রথায় আসােয়ান, ইনসা অ্যাসিউট, নাগহামিদি ইত্যাদি স্থানে নীলনদের উপর বাঁধ দিয়ে বাঁধের পেছনে জলাধারে জল সঞ্চয় করে রেখে খালের মাধ্যমে সারাবছর জলসেচের ব্যবস্থা হয়েছে। এর ফলে
কৃষকরা বছরে একই জমিতে একাধিক শস্য উৎপন্ন করতে পারে। এই বাঁধগুলাের মধ্যে আসােয়ান বৃহত্তম।

11. মিশর একটি মরুপ্রায় কিন্তু কৃষিপ্রধান দেশ এর ভৌগােলিক কারণ ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ মিশর নীলনদের নিম্ন অববাহিকায় অবস্থিত একটি দেশ। মরু প্রকৃতির জলবায়ুর প্রভাবে এখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ খুবই অল্প। মিশরের পশ্চিমে সাহারা মরুভূমি। কিন্তু দেশের মধ্য দিয়ে নীলনদ প্রবাহিত হওয়ায় মিশর সম্পূর্ণ মরুভূমিতে পরিণত হতে পারেনি। নীলনদ আবিসিনিয়া (ইথিওপিয়ার) পর্বতের গলিত তুষার ও বন্যার জলের সঙ্গে লাল পলিমাটি বহন করে এনে মিশরের মরু প্রকৃতির ভূভাগকে শস্যশ্যামল করেছে। এ ছাড়া বর্তমানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলসেচের উদ্দেশ্যে নীলনদের উপর কয়েকটি বাঁধ ও জলাশয় নির্মাণ করা হয়েছে। ওইসব বাঁধ ও জলাশয় নির্মাণের ফলে নীলনদের উভয় তীরে পলি গঠিত অঞ্চলে ব্যাপকভাবে ধান, গম, যব, ভুট্টা, পেঁয়াজ, তামাক, ইক্ষু, চীনাবাদাম, খেজুর ও কার্পাসের চাষ হচ্ছে।
12. মিশরকে নীলনদের দান বলা হয় কেন?
উঃ উত্তর দেখতে এখানে ক্লিক করুন- নীলনদের দান বলা হয় কারণ

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url